fbpx
Lifestyle Relationships Tips

Internet Safety: যেভাবে শিশুকে ধারণা দেওয়া যায়

পড়ুন কেন সন্তানের সাথে Internet Safety নিয়ে কথা বলা জরুরী?

বাবা-মা হিসেবে দায়িত্ব পালন মোটেও সহজ কাজ না। কিছু স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আমরা বাবা-মায়েরা সব সময়ই একটু ইতস্তত করি যে- কি বলবো, কিভাবে বলবো? ওর বয়স অনুযায়ী জ্ঞান কিভাবে দিবো? Internet Safety ব্যপারটা যেমন স্পর্শকাতর তেমনি গুরুতর। তাই বলে শিশুকে এই ব্যপারে ধারণা দেওয়া নিয়ে পিছিয়ে আসা যাবে না। মনে করা যাবে না, ও আরেকটু বড় হোক পরে বলবো। আপনার শিশু ৪/৫ বছরে যথেষ্ট ব্যাপার বুঝতে শিখে যায়। শিশুরা এই বয়সে এখন সাবলীলভাবে Google, Youtube, Facebook, Messenger, WhatsApp ব্যবহার করে। Internet Safety নিয়ে ধারণা থাকাটা খুবই জরুরী!

শুরুটা যেভাবে করা যায়…

বাবা-মা হিসেবে নিশ্চয়ই আপনার শিশুকে আপনি ভালো জানেন। ওর সাথে বসুন। সাধারণ কথাবার্তা দিয়ে শুরু করুন। Youtube, Facebook, Messenger ইত্যাদি অ্যাপের সুবিধা নিয়ে কথা বলুন। বলতে পারেন, “আগে এতো সুন্দর সুন্দর, রঙিন শিক্ষামূলক ভিডিও ছিল না। এখন তোমরা এগুলো সহজে দেখতে পারো। কতো সুন্দর শিখে যাচ্ছ!” গল্পছলেই জানিয়ে দিন যে সুবিধার সাথে কি কি অসুবিধা থাকতে পারে। ভুলভাবে ব্যবহার করলে কি ঝুঁকি থাকতে পারে। ঝুঁকিগুলো কিভাবে এড়ানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করুন। শিশুর কাছ থেকেও জানতে চান, ও এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কি করতে পারে? গল্প ছলে জিজ্ঞেস করুন Internet ব্যবহার করতে গিয়ে ও কোন ঘটনায় কখনো অস্বস্তি বোধ করেছে কিনা। কখনো যদি কোন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির শিকার হয় তবে বলুন আপনাকে যেন অবশ্যই জানায়।

Internet সম্পর্কিত আদবকেতা

কিছু আদবকেতা সম্পর্কে শিশুকে ধারণা দিন। বুঝিয়ে বলুন কেন এই জিনিসগুলো মেনে চলা জরুরী। যেমন- কোন কিছু অনলাইনে শেয়ার বা পোস্ট করার আগে ভাবা যে আসলেই শেয়ার করা উচিৎ কিনা? যা শেয়ার বা পোস্ট করছি তা দ্বারা অন্য কেউ আক্রমণ বা খারাপ অনুভব করবে কিনা। কার সাথে কি শেয়ার করা যায়। অপরিচিত কাউকে কোন টেক্সট, ছবি, ভিডিও পাঠানো উচিৎ না। অপরিচিত কেউ কোন ছবি, টেক্সট, ভিডিও পাঠালে সতর্ক হওয়া ইত্যাদি। ওকে বুঝিয়ে বলুন অনেক সময় অনেক কিছু সাধারণ মনে হলেও এর ফল খারাপ হতে পারে। তাই কোন কাজ করার আগে যেন ভেবে করে।

কিছু নিয়ম সেট করুন

অ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়ম সেট করে দিন। কোন অ্যাপ ডাউনলোড দেওয়ার আগে শিশু যেন একবার আপনাকে দেখায়। যে সব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে সেগুলোর প্রাইভেসি সেটিং পাব্লিক থেকে পরিবর্তন করে দিন। বলুন অপরিচিত কাউকে যেন সোশ্যাল মিডিয়াতে ফ্রেন্ড হিসেবে অ্যাড না করে। মনিটর করুন শিশু মানছে কিনা। না মানলে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে শিশুকে বোঝান।

কোন পাসওয়ার্ড শেয়ার না করা

শিশুকে জানিয়ে রাখুন পাসওয়ার্ড খুবই ব্যক্তিগত জিনিস। এটা কারো সাথে শেয়ার করা বা কাউকে দিয়ে দেওয়া ঠিক না। নিজের বন্ধু, পরিচিত-অপরিচিত কাউকেই পাসওয়ার্ড জানানো ঠিক না।

নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে শিশুর গ্যাজেট বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া একদমই কাজের কথা না। শিশুকে কোন না কোন দিন এসব ব্যবহার করতে হবে, তাই ওকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে শেখান। শিশু কি করছে না করছে খেয়াল রাখুন। স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের পাশাপাশি ওকে বই পড়তে উৎসাহ দিন। অন্যান্য সৃজনশীল কাজ যেমন, ক্রাফটিং, গান, নাচ, ছবি আঁকা ইত্যাদি শেখায় উৎসাহ দিন।

বই হোক আপনার শিশুর সবচেয়ে ভালো বন্ধু। শিশুকে বেশি বেশি বই পড়ায় উৎসাহ দিন। শিশুকে বেশি বেশি বই কিনে দিন!

~This article has been published by ToguMogu as a part of the ‘Maternity Health Articles’ project with support from Just Peoples. Just Peoples is a platform that raises small grants through various activities and from individual donors to support social entrepreneurs across Asia and Africa to invest in small-scale projects. The ‘Maternity Health Articles’ project is made happen with the donation from Ms. Fleur Chambers, Founder of Harvesting Happiness. This publication reflects the views only of ToguMogu Team. Just Peoples, as well as the donor, cannot be held responsible for any use which may be made of the information contained therein.~

Related posts