ToguMogu থেকে আমরা Expected Parents দের জন্যে প্রকাশ করছি Pregnancy Series. আজকের লেখায় আমরা এখানে তুলে ধরছি Pregnancy এর চতুর্থ সপ্তাহ।
যেভাবে বেড়ে উঠছে আপনার শিশুঃ
আপনার ৪র্থ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে। আপনার ভ্রূণটি এসময় অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় থাকে। এসময় আপনার শিশুটি দুটি স্তর বিশিষ্ট একটি পোস্তদানার সমান ভ্রুণ। স্তর দুটি হলো এপিব্লাস্ট এবং হাইপোব্লাস্ট, যেগুলো থেকে তার অঙ্গসমূহ এবং পুরো শরীর তৈরি হবে। প্রাথমিক প্লাসেন্টাটিও এসময় দ্বিস্তর বিশিষ্ট গঠন লাভ করে। প্লাসেন্টার কোষগুলো আপনার জরায়ূর আস্তরণের মধ্যে সুড়ঙ্গের মতো হয়ে রক্ত প্রবাহের জন্যে রাস্তা করে দেয়। যার ফলে প্লাসেন্টা আপনার ক্রমবর্ধমান শিশুটিকে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করতে সক্ষম হয়। এসময়ে এমনিয়টিক থলেটি আপনার শিশুর ঘর হিসেবে কাজ করে আর এমনিয়টিক ফ্লুইড শিশুর সুরক্ষার জন্যে নরম গদি হিসাবে কাজ করে। ডিমের কুসুমের মতো থলেটি আপনার শিশুর লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদন করে এবং পুষ্টি সরবরাহ করে যতদিন পর্যন্ত না প্লাসেন্টা এই দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয়।
আপনার শিশুর আকার এখন একটা পপি বীজের সমান।
যেভাবে আপনার জীবনে পরিবর্তন আসে:
এই সপ্তাহের কোনো এক সময় আপনি বুঝে যাবেন যে আপনি মা হতে চলেছেন। পুরাপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্যে আপনার মাসিক বন্ধ হওয়ার পরে কয়েকদিন বা একসপ্তাহ ব্যবধানে হোম Pregnancy টেস্ট কিট্ দিয়ে পরীক্ষা করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ফল যদি পজিটিভ আসে তাহলে আপনার ডাক্তার এর সাথে প্রথম মাতৃত্বকালীন সাক্ষাতের জন্যে প্রস্তুত হন। সাধারণত ডাক্তার এসময়ে একবার দেখার পরে আবার ৮ সপ্তাহে আপনাকে আসতে বলবেন। যদি না আপনি কোনো শারীরিক অসুবিধার মধ্য দিয়ে যান কিংবা পূর্বের গর্ভের সময়য়ের কোনো অসুবিধার ইতিহাস থাকে অথবা এমন কোনো উপসর্গ থাকে যা চেক করা দরকার। অর্থাৎ আপনার ডাক্তার যদি মনে করেন আপনার Pregnancy স্বাভাবিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তবে তিনি সাক্ষাৎ দেবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছেন। এসময় আপনি যদি কোনো ঔষুধ খেয়ে থাকেন যা Pregnancy এর আগে আপনার ডাক্তার দিয়েছিলেন সেটি Pregnancy তেও চালিয়ে যাবেন নাকি তা অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিবেন। মনে রাখবেন কিছু ঔষুধ আছে যেটা সাধারণভাবে আপনার জীবন রক্ষাকারী হলেও গর্ভাবস্থায় সেটি আপনার কিংবা শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অন্য কোন লক্ষণ যেটা আপনার কাছে বিপদ জনক মনে হচ্ছে সেগুলোও ডাক্তার এর সাথে আলোচনা করবেন।
এসময় আপনার প্রতিদিন কমপক্ষে 4oomcg মাল্টিভিটামিন বা মাতৃত্বকালীন ভিটামিন গ্রহণ করা উচিত। অনেক Pregnant মার বেশি মাত্রার ভিটামিন বা ফলিক অ্যাসিড নেবার প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং এ ব্যাপারে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই বাঞ্চনীয়।
পরবর্তী ৬ সপ্তাহ আপনার শিশুর বিকাশের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্লাসেন্টার প্রাথমিক সংস্করণ এবং আম্বিলিক্যাল কর্ড ইতিমধ্যে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহের কাজ শুরু করেছে। প্লাসেন্টার মাধ্যমে আপনার শিশুর শরীরে পৌঁছে যাচ্ছে সেই সব কিছুই যা আপনি খাচ্ছেন বা গ্রহণ করছেন। সুতরাং আপনার ও শিশুর নিরাপত্তার জন্যে এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
।