আমাদের শিশুর সর্দি, কাশি বা জ্বর আসার সাথে সাথে আমরা যে কাজটা করি তা হল ওষুধ খাওয়ানো এই তিনটি অসুখই অত্যন্ত কমন যাতে এক-দু মাস পরপরই শিশুরা আক্রান্ত হয়। আপনি যদি আপনার শিশুকে এই তিনটি অসুখে আক্রান্ত হবার সাথে সাথে সিরাপ বা ওষুধ দিয়ে থাকেন তাহলে তা সময় এসেছে তা থামাবার! জ্বর, সর্দি, কাশিতে শিশুকে আর ওষুধ নয়। কেন নয় তা আসুন জেনে নেই।
Category: শিশুর স্বাস্থ্য
গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস বি; কি করণীয়?
নিশি প্রথমবারের মত মা হতে চলেছে। আনন্দের সীমা নেই অনাগত সন্তানকে ঘিরে। এরইমাঝে সে রেগুলার ডাক্তার চেক আপ এ গিয়ে জানতে পারলো সে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এ আক্রান্ত। নিশি সহ পুরো পরিবার এখন হতবাক। কিছুই বুঝতে পারছে না এখন তারা কি করবে! আর নবাগত সন্তানেরই বা কি হবে? নিশির মত বাংলাদেশে প্রায় ৩.৫% গর্ভবতী মায়েরা হেপাটাইটিস বি ভাইরাস বহন করছে (ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর মতে)। তাই প্রত্যেক গর্ভবতী মায়ের উচিৎ এই রোগ সম্পর্কে জেনে রাখা যাতে গর্ভাবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্ত
শিশুর জন্যে সঠিক নিপলটি কিনছেন তো?
যে শিশুরা ফর্মুলা খায় তাদের জন্যে তো অবশ্যই, এছাড়াও যারা বুকের দুধ খায় তাদের জন্যেও ফিডার প্রয়োজন হয়। অনেক মাই বুকের দুধ মাম্প করে শিশুকে খাওয়ায়।
শীতে শিশুর সুরক্ষা: কী করবেন এবং কখন সতর্ক হবেন
শীত আসার সঙ্গে প্রকৃতির পরিবর্তন যেমন আমাদের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনই শিশুরাও এ সময় কিছুটা ভোগান্তির শিকার হয়। জ্বর, সর্দি এবং কাশি শীতকালে খুবই সাধারণ সমস্যা। তবে এগুলো সামলানো যথেষ্ট সহজ, যদি প্রাথমিক সতর্কতা এবং সঠিক যত্ন নেওয়া যায়।
যে খাবারগুলি শিশুর জন্যে ক্ষতিকর
শিশুদের খাবাদের অনেক ক্যালোরির দরকার নেই, যেটা দরকার তা হল পুষ্টি। তারপরো আমরা অনেকেই শিশুদের প্রায়ই জাঙ্ক ফুড দিয়ে থাকি যাতে থাকে প্রচুর ক্যালোরি, চিনি এবং টেস্টিং সল্ট। এসব খাবারে পুষ্টিগুন নেই বললেই চলে। জাঙ্ক ফুড খেলে শিশুদের ছোট্ট পেট খুব দ্রুতই ভরে যায়। সুতরাং রেগুলার জাঙ্ক ফুড খেলে দেখা যায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মত আর জায়গা থাকে তাদের পেটে। পুষ্টিবিদের মতে এ ধরণের পুষ্টি ঘাটতি শিশুদের নিয়মিত যে শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ তার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
শিশুদের প্রোটিন এবং ক্যালোরি স্বল্পতা জনিত সমস্যা
আমাদের দেশে ৫ বছরের কম বয়সী যতো শিশু মারা যায় তার মধ্যে অন্যতম রোগ প্রোটিন এনার্জি ম্যালনিউট্রিশান। এটা সাধারণত শিশুদের হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন যাবত প্রোটিন এবং ক্যালোরি না গ্রহণের অভাবে এই রোগটি হয়।
শিশুদের আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা
শরীরে যে যে কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে তার মাঝে আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবীজুড়ে ৩০ ভাগ শিশু এ রোগে ভুগে। বাল্যকালে শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার পেছনে এ রোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?
শিশুর ডায়াপার থেকে র্যাশ হলে কি করবেন?
কাপড় নাকি ডিসপোজেবল কিছু? কোনটি বেছে নেবেন- এই ভাবনায় পড়েন অনেক বাবা-মা। বিশেষ করে নবজাতক শিশুকে নিয়ে এ ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে যে ধরনের ডায়াপার বা পোশাকই পড়ানো হোক না কেন, সমস্যা যা হওয়ার তার ঝুঁকি একই। কারণ, শিশুজীবনের প্রথম কয়েক বছর শিশুর নিচের পোশাকটির প্রধান কাজ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন প্রকৃতির ডাকপ্রসূত ফলকে ধারণ করা। সোজা কথায় শিশুর নিচের পোশাক অন্তত প্রথম এক-দুই বছর প্রস্রাব ও পায়খানার সংস্পর্শে বেশি আসে। আর এ কারণে শিশুর নিতম্বে লালাভ চাকার মতো বা ফুসকুড়ি হয়ে ভেসে উঠতে পারে। যাকে বলা হয় ডায়াপার র্যাশ বা নিচের পোশাকজনিত ত্বকের ফুসকুড়ি।
শিশুদের Heat rash হওয়ার কারণ এবং এ প্রতিকারের উপায়
Heat rash কি?
heat rash কে অন্য ভাষায় বলা হয় ঘামাচি। বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্ম প্রধান দেশ। সুতরাং ঘামাচি হওয়ার ঝুঁকি ছোট, বড় সবারই থাকে। তবে বাচ্চাদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বড়দের থেকে বেশি পরিমাণ থাকে। ঘামাচি হল শরীরে লাল রঙের গুটির আবির্ভাব, যা শিশুদের পিঠে, বুকে, পেটে এবং যেসব জায়গার চামড়ায় ভাঁজ থাকে সেসকল স্থানে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গরমকালেও অনেকেই নবজাতক শিশুদের অতিরিক্ত কাপড়ে জড়িয়ে রাখে ঠাণ্ডা লাগবার ভয়ে। ফলে দেখা যায় ওদের শরীর ঘামাচিতে ভরে যায়।
সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর কিছু রেসিপি, আপনার বাচ্চার জন্য
আপনার ছোট্ট সোনাকে খাওয়ানো একবারেই সহজ কাজ নয়। যখন বাচ্চাদের কোনও নতুন খাবার প্রথম খাওয়ানো হয়, তখন তারা সেটা অনেকসময় পছন্দ নাও করতে পারে। কারণ, বাচ্চারা যেহেতু সাধারণত বুকের দুধ বা প্যাকেটের দুধ খেতেই অভ্যস্ত হয়ে থাকে। তাই নতুন ভিন্ন স্বাদের খাবারের ওপর ভালোবাসা জন্মাতে তাদের কিছুটা সময় লাগে। বেশিরভাগ বাচ্চা মিষ্টি স্বাদের খাবার খেতে পছন্দ করলেও, অনেকে কিন্তু তা করে না। বাচ্চাদের জন্য এই বিশেষ রেসিপিগুলো বানিয়ে দেখুন তো, ওদের পছন্দ হয় কি না! শুধু একটা কথাই মনে রাখবেন, বাচ্চার খাবারে বেশি চিনি মেশাবেন না।