আমাদের দেশে ৫ বছরের কম বয়সী যতো শিশু মারা যায় তার মধ্যে অন্যতম রোগ প্রোটিন এনার্জি ম্যালনিউট্রিশান। এটা সাধারণত শিশুদের হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন যাবত প্রোটিন এবং ক্যালোরি না গ্রহণের অভাবে এই রোগটি হয়।
Category: শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুদের আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা
শরীরে যে যে কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে তার মাঝে আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবীজুড়ে ৩০ ভাগ শিশু এ রোগে ভুগে। বাল্যকালে শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার পেছনে এ রোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?
শিশুর ডায়াপার থেকে র্যাশ হলে কি করবেন?
কাপড় নাকি ডিসপোজেবল কিছু? কোনটি বেছে নেবেন- এই ভাবনায় পড়েন অনেক বাবা-মা। বিশেষ করে নবজাতক শিশুকে নিয়ে এ ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে যে ধরনের ডায়াপার বা পোশাকই পড়ানো হোক না কেন, সমস্যা যা হওয়ার তার ঝুঁকি একই। কারণ, শিশুজীবনের প্রথম কয়েক বছর শিশুর নিচের পোশাকটির প্রধান কাজ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন প্রকৃতির ডাকপ্রসূত ফলকে ধারণ করা। সোজা কথায় শিশুর নিচের পোশাক অন্তত প্রথম এক-দুই বছর প্রস্রাব ও পায়খানার সংস্পর্শে বেশি আসে। আর এ কারণে শিশুর নিতম্বে লালাভ চাকার মতো বা ফুসকুড়ি হয়ে ভেসে উঠতে পারে। যাকে বলা হয় ডায়াপার র্যাশ বা নিচের পোশাকজনিত ত্বকের ফুসকুড়ি।
শিশুদের Heat rash হওয়ার কারণ এবং এ প্রতিকারের উপায়
Heat rash কি?
heat rash কে অন্য ভাষায় বলা হয় ঘামাচি। বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্ম প্রধান দেশ। সুতরাং ঘামাচি হওয়ার ঝুঁকি ছোট, বড় সবারই থাকে। তবে বাচ্চাদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বড়দের থেকে বেশি পরিমাণ থাকে। ঘামাচি হল শরীরে লাল রঙের গুটির আবির্ভাব, যা শিশুদের পিঠে, বুকে, পেটে এবং যেসব জায়গার চামড়ায় ভাঁজ থাকে সেসকল স্থানে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গরমকালেও অনেকেই নবজাতক শিশুদের অতিরিক্ত কাপড়ে জড়িয়ে রাখে ঠাণ্ডা লাগবার ভয়ে। ফলে দেখা যায় ওদের শরীর ঘামাচিতে ভরে যায়।
সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর কিছু রেসিপি, আপনার বাচ্চার জন্য
আপনার ছোট্ট সোনাকে খাওয়ানো একবারেই সহজ কাজ নয়। যখন বাচ্চাদের কোনও নতুন খাবার প্রথম খাওয়ানো হয়, তখন তারা সেটা অনেকসময় পছন্দ নাও করতে পারে। কারণ, বাচ্চারা যেহেতু সাধারণত বুকের দুধ বা প্যাকেটের দুধ খেতেই অভ্যস্ত হয়ে থাকে। তাই নতুন ভিন্ন স্বাদের খাবারের ওপর ভালোবাসা জন্মাতে তাদের কিছুটা সময় লাগে। বেশিরভাগ বাচ্চা মিষ্টি স্বাদের খাবার খেতে পছন্দ করলেও, অনেকে কিন্তু তা করে না। বাচ্চাদের জন্য এই বিশেষ রেসিপিগুলো বানিয়ে দেখুন তো, ওদের পছন্দ হয় কি না! শুধু একটা কথাই মনে রাখবেন, বাচ্চার খাবারে বেশি চিনি মেশাবেন না।
ADHD এর লক্ষণ ও উপসর্গ
ADHD কি? Attention deficit hyperactivity disorder (ADHD) হল এমন একটি অবস্থা যা হলে শিশুরা তাদের কার্যকলাপ বা আবেগ ধরে রাখতে পারে না। এই ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশুদের পক্ষে কোন একটি জিনিসে মনোযোগ ধরে রাখাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। এর সুত্রপাত হতে পারে শৈশবকাল থেকেই, যা বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও মানুষের মধ্যে থেকে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুর বয়স ৪ বছর না হওয়া পর্যন্ত এই ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা করা সম্ভব না। কারণ একেক বাচ্চা একেক রকম হয়। শৈশবকালে বাচ্চাদের মধ্যে চঞ্চলতাভাবটি বেশি কাজ করে। তাই আপনার শিশুর অতিরিক্ত অস্থিরতা বা চঞ্চলতা কি বয়সের কারণে নাকি এটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডারের কারণে সেটা বুঝতে পারা আসলেই কঠিন কাজ। কিন্তু এটি অসম্ভব নয়। আপনার শিশু একটু বড় হলেই ব্যাপারটি আপনার কাছে পরিষ্কার হওয়া।
কীভাবে বুঝবেন শিশু অটিজমে আক্রান্ত
প্রতিটি মা-বাবার কাছেই নিজের সন্তান অনেক আদরের। সন্তানের বেড়ে ওঠা, কথা বলা, হাসিসহ সব বিষয়েই থাকে তাদের বাড়তি আগ্রহ। কিন্তু কোনো শিশুর অটিজম হলে এ নিয়ে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার আর শেষ থাকে না।
শিশুর ঘুমের ৫ অভ্যাস
আমাদের দেশে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে- শিশুর মতো ঘুমানো। মানে হচ্ছে গভীর ও শান্তির ঘুম দেওয়া। শিশুরা কিন্তু বাস্তবে এত শান্তভাবে ঘুমায় না, অনেক ক্ষেত্রে গভীর ঘুমেই তারা অনেক কাণ্ড-কারখানা করে। কখনো কাঁদে, কখনো গোঙায়, আবার নাক দিয়ে বাঁশির মতো শব্দ করে শ্বাসও নেয়। অনেক বাবা-মার কাছেই শিশুর ঘুমের এই অভ্যাসগুলো অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যাপার গুলো আসলেও সমস্যারই ইঙ্গিত দেয়। তবে সবসময় না।
শিশুর মধ্যে পানি পান করার অভ্যাস তৈরি করার ৫ বুদ্ধি
শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য পানি খুবই প্রয়োজনীয়। পরিমিত পানি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ইউরিনারি ইনফেকশন রোধ করে। পানি পানে অতিরিক্ত ক্যালোরি বা সুগার যোগ হওয়ার ঝামেলা নেই। কিন্তু আসল ঝামেলা বাঁধে শিশুকে পানি পান করানোর বেলায়। শিশুরা তৃষ্ণার্ত বোধ না করলে ঠিকমতো পানি পান করতেই চায় না। নিজে হয়তো মনে করে বলেও না। কখনো হয়তো ওদের ইচ্ছা করে না পানি খেতে।
শিশুর জ্বর কমিয়ে আনুন ঘরোয়া উপায়ে
শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমরা জ্বর বলে থাকি। এটি শিশুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সাধারণত শরীরে অভ্যন্তরীণ কোন ইনফেকশন দেখা দিলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যাকে জ্বর বলা হয়। জ্বর হলে ছোট, বড় সবাই বেশ দূর্বল হয়ে পড়ে। আর শিশুদের যদি জ্বর দেখা দেয়, তবে তো চিন্তার শেষ নেই। সাধারণত অল্প জ্বরকে আমরা গুরুত্ব দেই না, কিন্তু এই জ্বর হতে পারে যেকোন বড় রোগের পূর্ব লক্ষণ। তবে সর্দি, ঠান্ডার জন্য জ্বর হলে তা ঘরোয়া কিছু উপায়ে কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আসুন ঘরোয়া উপায়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
শ্বাসকষ্ট বা এজমা সম্পর্কিত ৯টি সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যার মূল লক্ষণ হল শ্বাস কষ্ট ও সাঁসাঁ শব্দে নিঃশ্বাস ফেলা।হাঁপানি আক্রমণের সময় শ্বাসনালীর আস্তরণ ফুলে যায়, যার ফলে শ্বাসনালী এতটাই সংকীর্ণ হয়ে যায় যে প্রশ্বাস ও নি:শ্বাসে শ্বাসবায়ুর গতি অনেকটাই কমে যায়। হাঁপানির কারণ এখনো পুরোটা বোঝা যায়নি। তবুও, অ্যালার্জি, তামাকের ধোঁয়া ও রাসায়নিক উত্তেজক পদার্থে হাঁপানি ক্রমশ: বৃদ্ধি পায় ও এগুলোকে হাঁপানি রোগের মূল কারণ হিসেবে ধারা হয়। হাঁপানির পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়, কিন্তু যথাযথ পরিচালনায় এই রোগটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। উন্নত মানের সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সঠিক পরিচালনার প্রয়োজন।
চাইল্ড ওবেসিটি
চাইল্ড ওবেসিটি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক লেখাটি লিখেছেন চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল এর পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।