শিশুর ত্বকের যত্নের ব্যাপারে মায়ের ভূমিকাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। মায়েরা যদি কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হোন, তবে অনেক চর্মরোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর নিম্নলিখিত কয়েকটি বিষয় শিশুর বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধে নিঃসন্দেহে সহায়ক :
Articles
১ বছরের বাচ্চার খাবার কেমন হবে
একটি শিশু যে পরিমাণ খায় তা নির্ভর করে সে কতটা ক্ষুধার্ত, তার উপর। যখন শিশুর দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি নেবেন, সবসময় তার রাতের খাবারের জন্য একটু খাবার সরিয়ে নেবেন। কারণ যদি আপনার রাতের খাবার তৈরি করতে দেরী হয় আর তারই মধ্যে আপনার সন্তানেরও ক্ষুধা পেয়ে যায়, তখন আপনি সরিয়ে রাখা খাবারটি তাকে দিতে পারবেন।
শিশুকে কম লবণ-যুক্ত কাটা অলিভ (জলপাই), আভাকাডো বা কচি মটরশুঁটি দিয়ে দেখতে পারেন। এসময় শিশুর জন্য ভালো খাবার হতে পারে কম চর্বিযুক্ত পনির, কুচিকুচি করা ওট্স(Oats), একটি অর্ধেক সিদ্ধ ডিম, ইত্যাদি।
যে ৫টি কারণে সন্তানদের দাদা-দাদি ও নানা-নানির সাথে বন্ধন দৃঢ় করা উচিৎ
যে ৫টি কারণে সন্তানদের দাদা-দাদি ও নানা-নানির সাথে বন্ধন দৃঢ় করা উচিৎ
জন্ম থেকে ২ বছর পর্যন্ত শিশুর সাথে যেভাবে কথা বলা উচিৎ
মা বাবার ফোকাস কখনই শিশু কয়টি শব্দ বলতে পারছে তা হওয়া উচিৎ না। বিশেষজ্ঞের মতে “শিশুর সাথে সারাদিন কথা বলে বাবা-মার ক্লান্ত হবার কোন প্রয়োজন নেই। টার্গেট সেট করে দিনে শিশুকে এতটা শব্দ শেখাবো ব্যাপারটা ঠিক এমনও নয়। বরং তাদের উচিৎ সময় দেয়া ছোটছোট কোয়ালিটিসম্পন্ন ভাব আদানপ্রদানে।” নবজাতক থেকে ২ বছর বয়সী শিশুর সাথে কোন পর্যায়ে কিভাবে কথা বলা উচিৎ সে বিষয়ে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে হার্ভাড গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং বসটন মেডিকেল সেন্টারের শিশু বিশেষজ্ঞ সম্মিলিতভাবে। আমরা টগুমগু থেকে তা তুলে ধরছি আপনাদের সাথে।
যে ১৪ টি উপায়ে নবজাতকের বাবা সাহায্য করতে পারে মাকে
নতুন শিশুর আগমন জীবনে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, বিশেষ করে সেই শিশু যদি হয় মা- বাবার প্রথম সন্তান। যতই প্রস্তুতি নেয়া থাকুক যারা প্রথম মা বাবা হয় তারা প্রথম কয়েক সপ্তাহ হালকা একটা ধাক্কার মধ্যে দিয়ে যায়। যদিও এই সময়ে মা বাবা উভয়ই প্রচুর এ্যাডজাস্টমেন্ট করে জীবনে, তবে স্বাভাবিকভাবেই মাদের এইসময়ে অনেক বেশি দায়িত্ব পালন করতে হয়। প্রথম কয়েক সপ্তাহ মায়ের জন্যে শিশু প্রসবের সময় শরীরের উপর দিয়ে যে ধাক্কাটি যায় তার থেকেও অনেক কঠিন। এই কঠিন সময়ে বাবার করণীয় অনেক কিছুই আছে যাতে শিশুর সাথে বাবার বন্ধন দৃঢ় হয় এবং মায়ের কাজের ভার কিছুটা কমে যায়।
শিশুর না খাওয়ার ৪টি সম্ভাব্য কারণ
কিভাবে শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে তার একটি বড় প্রভার রয়েছে শিশুর ভবিষ্যৎ খাদ্যাভ্যাসের এবং পুষ্টির উপর। হয়তো অত্যন্ত মজাদার পুষ্টিকর খাবার তৈরী করা হচ্ছে শিশুর জন্যে কিন্তু তারপরও শিশু তা খেতে চাচ্ছে না। মা বাবার সবসময় দুশ্চিন্তা করাটা স্বাভাবিক যে বেড়ে উঠার জন্যে সন্তান কি আসলে পর্যাপ্ত খাবার খাচ্ছে কিনা। এ বিষয়ে গবেষণা বলে যে, একজন শিশু আসলে জানে যে কতটুকু খাবার ওর দরকার এবং ও অবগত আছে কখন ওকে খাওয়া থামাতে হবে।
নবজাতক শিশুদের pimple বা acne এর সমস্যা
pimple বা acne কি তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু প্রশ্ন হল নবজাতকদেরও কি বড়দের মতো pimple বা acne উঠে? উত্তর হল- হ্যাঁ, বড়দের মতো শিশুদের pimple বা acne উঠে। একে neonatal acne ও বলা হয়। জন্মের পর থেকেই শিশুদের শরীরে এটি উঠে থাকে কিন্তু পূর্ণরুপে এটি দেখা যায় জন্মের কয়েক সপ্তাহ পর থেকে।তবে সকল নবজাতকের এই সমস্যা থাকে না। শতকরা ২০ জন নবজাতক শিশুর মধ্যে এই সমস্যা দেখা যায়। শিশুদের acne বা pimple, teenage acne এর মতই। আকারে ছোট্ট, দেখতে লাল অথবা সাদা রঙের এবং এর চারপাশের জায়গা লাল রঙের হয়ে যায়। সাধারণত শিশুদের মুখ, কপাল, থুতনি, পিঠ ইত্যাদি স্থানে acne উঠতে দেখা যায়। কিন্তু সবসময় শিশুদের মুখে acne এর মতো দেখতে পাওয়া জিনিস যে acne-ই হবে তা কিন্তু নয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ওইগুলো acne-ই হয়।
এখনো কেন আমাকে দেখলে মনে হয় না প্রেগন্যান্ট?
মীরার প্রেগন্যান্সির ৫মাস চলছে। মীরা এখনো অফিস থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি নেননি। অফিসের সহকর্মীরা অনেকেই প্রায়ই জিজ্ঞাসা করেন, মীরার পেট এখনো বুঝা যাচ্ছে না কেন? খাওয়া-দাওয়া কি কম হচ্ছে? কোন স্বাস্থ্যগত সমস্যা? আত্মীয়-স্বজন যারাই মীরাকে দেখতে আসছে, তারাও একই প্রশ্ন করছেন। কিন্তু, ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই দিন কাটাচ্ছে মীরা। খাওয়া-দাওয়াও পরিমাণ মতই করা করা হচ্ছে। চারপাশের এত কথা শুনতে শুনতে, মীরার দুশ্চিন্তা শুরু হয়। তার গর্ভের সন্তান ঠিকঠাক বেড়ে উঠছে তো? অনেক হবু মাই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। পেট বুঝা না বুঝা নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এক এক মা এক এক ধরণের গর্ভ ও মাতৃত্বকালীন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। আপনার গাইনোকলজিস্ট যদি বলেন সবই ঠিক চলছে, তবে খামাখা দুশ্চিন্তার একদমই কারণ নেই।
শিশুকে যেভাবে লিখতে উৎসাহী করে তুলবেন
লেখা-পড়া কথাটি শুরুই হয় লেখা দিয়ে। এবং মজার ব্যাপার হল শিশুরা পড়াশুনা শুরুর আগেই একদম ছোট থেকেই কলম, পেন্সিল বা রং-পেন্সিলসহ হাতের কাছে যা পায় তা দিয়েই আগে লেখা শুরু করে। লেখার শুরুটা হয় ২ বছর থেকেই আর লেখাপড়ার এক বড় ধাপই হল লেখা। অথচ টেকনোলোজির এই যুগে এসে আমরা শিশুদের লেখার অপশনটাও কম দিচ্ছি, আবার অন্য দিকে অনেক অভিভাবকই বলছেন -“আমার শিশু লিখতে চায়না।”
আপনার শিশুকে কি চুল কাটতে নিয়ে গেলে সে কান্নাকাটি করে?
১৪ মাস বয়সের পর থেকেই বাচ্চাদের haircut দিতে নিয়ে যাওয়া বাবা মার জন্যে এটি বিভীষিকার মত। অনেক সময় ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী বাচ্চারাও প্রচুর কান্নাকাটি করে। এর কারণ হতে পারে তারা বড় বড় কাঁচির এতো কাছ থেকে দেখে ভয় পায় বা অন্য কোন কিছু।