বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের কফি পান কতটুকু নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞের মতে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের কফি পান করা পুরোপুরি নিরাপদ। যদিও আপনার পান করা ক্যাফেইন আপনার বুকের দুধের সাথে মিশে যায় তবে সেটার পরিমান খুব কম। অধিকাংশ গবেষণায় দেখা যায় যে আপনি যে পরিমান ক্যাফেইন খাচ্ছেন তার এক শতাংশেরও কম বুকের দুধের সাথে মিশে।

৫ টি নিয়ম শিশুর হাতে Smartphone দেয়ার আগে

অভিভাবকদের মধ্যে ইদানীং একটি মুখ্য আলোচনার বিষয় হচ্ছে বাচ্চার জীবনে টেকনোলোজির ব্যবহার। বাচ্চার Smartphone ব্যবহার মনিটর করাটা সবথেকে চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার অভিভাবকের কাছে কারণ স্বাভাবিকভাবেই বাচ্চার সাথে আপনি ২৪ ঘন্টা থাকতে পারবেন না। আমেরিকাতে ৭ থেকে ১০ বছর বয়সেই সাধারণত বাচ্চারা নিজেদের স্মার্টফোন পেয়ে যাচ্ছে। যা একটি ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। আমাদের দেশেও এর খুব একটা ব্যতিক্রম হচ্ছেনা কিন্তু। অথচ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন বাচ্চাদের হাতে যত দেরীতে Smartphone দেয়া যায় ততই ভাল

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস: সম্ভাব্য জটিলতা ও প্রতিকার

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কাকে বলে?
উত্তর : গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময়ে ডায়াবেটিস শুরু হলে বা প্রথমবারের মত ধরা পড়লে তাকে গর্ভকালীন বা Gestational ডায়াবেটিস বলে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস একধরনের সুপ্ত(latent) ডায়াবেটিস। ল্যাটেন্ট ডায়াবেটিস বলা যেটা কোনো স্ট্রেসফুল কন্ডিশনে ধরা পড়ে নরমালে থাকে না।যেমন কোনো সার্জিক্যাল অপারেশন বা প্রেগন্যান্সি বা ইনফেকশনে হয়ে থাকে।

শিশুকে ধমকের উপর রাখছেন না তো?

শিশুরা যখনই এমন কিছু করতে চায় যা আমাদের পছন্দ নয় আমরা প্রথমেই যা করি তা হল ওদেরকে ধমক বা Threat দেই। কিন্তু এটা ওদের উপর ঠিক কতটা খারাপ প্রভাব ফেলে তা আমরা বুঝতে পারি না। যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজের বাবা মারা এইভাবেই সন্তানদের মানুষ করে আসছে। তাই এর ভিতর থেকে বের হয়ে আসা অনেকটাই কঠিন। কিন্তু শিশুর মানসিক বিকাশ যদি সুষ্ঠভাবে ঘটাতে চান তাহলে আপনাকে এই প্রথার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।

আপনার সন্তান কি মারমুখী? কেন মারমুখী এবং এক্ষেত্রে কি করণীয়?

কেন বাচ্চারা মারমুখী বা আক্রমনাত্মক হয়?

অবাক লাগলেও সত্যি যে,বাচ্চাদের Aggressive আচরণ একটি স্বাভাবিক বিষয়।
অনেক বাচ্চাই আছে সহপাঠীদের খেলনা কেড়ে নেয়, আঘাত করে, চিৎকার করে মুখ নীল বানিয়ে ফেলে। ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী বাচ্চারা নতুন নতুন দক্ষতা শিখছে প্রতিনিয়ত। সেটা হতে পারে কেঁচি ধরা, জটিল বাক্য বলা ইত্যাদি। এই বয়সের বাচ্চাদের মধ্যে একটুতেই বিরক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এই বয়সেই বাচ্চারা প্রি-স্কুল শুরু করে, অর্থাৎ বাসার বাইরে থাকার সাথে ওদের পরিচয় হয়। অনেক বাচ্চাই স্কুলে থাকাবস্থায় বিরক্তবোধ করে অথবা নিজেকে অবহেলিত অনুভব করতে থাকে।

গর্ভাবস্থায় বিষণ্ণতা

গর্ভকালীন বিষণ্ণতা এমন একটি সমস্যা যা প্রায় শতকরা দশ ভাগ গর্ভবতী মহিলাকে আক্রমন করে। এর প্রভাব মা ও শিশুর শরীরে ও মনে খুবই প্রকট, তারপরও আমাদের সমাজে দেখা যায় চিকিৎসক থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্য, এমন কি মাঝে মাঝে গর্ভবতী নিজেও এই সমস্যা কে এড়িয়ে যায়। কোন নারী যদি আগে বিষণ্ণতার কোন চিকিৎসার ভেতর থাকেন, দেখা যায় গর্ভবতী জানার সাথে সাথে ওষুধ বন্ধ করে দেন এই ভেবে যে এতে হয়তো বাচ্চার ক্ষতি হবে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, অনেক গবেষণায় দেখা গেছে ঠিকমতো চিকিৎসা না গ্রহন করলেই মা ও বাচ্চার উপর ক্ষতির পরিমান ভয়ানক ভাবে বেড়ে যায়। মায়ের উপর ক্ষতির পরিমান যেমন দীর্ঘস্থায়ী হয়, তেমনি শিশুর উপরও মায়ের বিষণ্ণতার প্রভাব থাকে অনেকদিন পর্যন্ত। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীন মায়ের বিষণ্ণতার স্বীকার হয়, তারা বড় হলে আক্রমণাত্মক এবং জেদি হয় এবং তাদের সামলানো কঠিন হয়ে থাকে। তাই শুধু চিকিৎসক না, পরিবারের সবাই এমন কি বন্ধু বান্ধবদের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে যাতে যাদের তাদের কাছের কোন গর্ভবতী সুপ্ত বিষণ্ণতার কারনে কষ্ট না পায়। প্রেগনেন্সিতে বিষণ্ণতা এবং সাধারণ মন খারাপ বা ভালো না লাগার মধ্যে বিভাজন করা সহজ ব্যাপার নয়। কারন এই সময় নানা কারনেই মনের পরিবর্তন হতে পারে, কিছু ক্ষেত্রে ঘনঘনই হতে পারে। তাই কোনটা সাধারন মন খারাপ বা ভালো না লাগা আর কোনটা বিষণ্ণতা তা জানতে হবে। কারন বিষণ্ণতায় ডাক্তারি সাহায্য না নিলে মা ও শিশুর আসুন জেনে নেই কখন বুঝতে হবে এটা বিষণ্ণতা! – দুই সপ্তাহের বেশি মন খারাপ থাকলে। -যেসব জিনিস আগে উপভোগ করতেন, সেটা আর ভালো না লাগলে। – চারপাশের কোন ব্যাপারে আর কোন আগ্রহ না থাকলে। – যেকোনো সমস্যায় নিজেকেই দোষী ভাবলে। – কোনকিছুতেই মনোযোগ দিতে না পারলে। – নিজেকে মূল্যহীন ভাবতে শুরু করলে। – খুব বেশি বা একেবারেই কম ঘুমালে।কোন ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে।

আপনার শিশু কি অখাদ্য খায়?

খাবার নয় এমন যে কোনো কিছু খাওয়ার অভ্যাসকে ‘পিকা’ (Pica) বলা হয়। এক বছর থেকে ছয় বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। ছেলে-মেয়ে উভয় শিশুই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এক বছর থেকে দুই বছর বয়স থেকে সাধারণত এটি শুরু হয় এবং বয়স বাড়লে কমে যায়।

শিশুর স্কুলভীতি ও তার প্রতিকার

আপনার শিশু কি স্কুলে যেতে ভয় পায়? স্কুলে যেতে না চাওয়া, ব্যাখ্যাতীত ভয়, ঘর ছেড়ে যেতে অনর্থক উদ্বেগ, মাকে ছাড়তে না চাওয়া ইত্যাদিকে স্কুলভীতি বা ‍School Phobia হিসেবে সনাক্ত করা হয়ে থাকে। স্কুলভীতিতে আক্রান্ত শিশু বাসায় থাকতে চায়, স্কুলে যেতে চায় না। মাঝে মাঝে লম্বা ছুটির পর স্কুল শুরু হলে শিশুকে স্কুলে ফেরাতে গেলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পেটব্যথা বা মাথাব্যথার মিথ্যা অভিযোগ তুলে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়। আবার শিশুর ধারণক্ষমতার বাইরে অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দিয়ে সন্তানকে আতঙ্কিত করে তোলার মত মা বাবাও বিরল নয়।

সর্দি-কাশি-জ্বরে শিশুকে কেন ওষুধ দেয়া উচিৎ নয়

আমাদের শিশুর সর্দি, কাশি বা জ্বর আসার সাথে সাথে আমরা যে কাজটা করি তা হল ওষুধ খাওয়ানো এই তিনটি অসুখই অত্যন্ত কমন যাতে এক-দু মাস পরপরই শিশুরা আক্রান্ত হয়। আপনি যদি আপনার শিশুকে এই তিনটি অসুখে আক্রান্ত হবার সাথে সাথে সিরাপ বা ওষুধ দিয়ে থাকেন তাহলে তা সময় এসেছে তা থামাবার! জ্বর, সর্দি, কাশিতে শিশুকে আর ওষুধ নয়। কেন নয় তা আসুন জেনে নেই।

গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস বি; কি করণীয়?

নিশি প্রথমবারের মত মা হতে চলেছে। আনন্দের সীমা নেই অনাগত সন্তানকে ঘিরে। এরইমাঝে সে রেগুলার ডাক্তার চেক আপ এ গিয়ে জানতে পারলো সে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এ আক্রান্ত। নিশি সহ পুরো পরিবার এখন হতবাক। কিছুই বুঝতে পারছে না এখন তারা কি করবে! আর নবাগত সন্তানেরই বা কি হবে? নিশির মত বাংলাদেশে প্রায় ৩.৫% গর্ভবতী মায়েরা হেপাটাইটিস বি ভাইরাস বহন করছে (ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর মতে)। তাই প্রত্যেক গর্ভবতী মায়ের উচিৎ এই রোগ সম্পর্কে জেনে রাখা যাতে গর্ভাবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্ত

ToguMogu Logo

ToguMogu is a parenting app offering essential support from family planning to raising children up to age 10.

ToguMogu

Contact

  • +88 01958636805 (Customer Care)
  • [email protected]
  • House 9, Sonargaon Janapath Road, Sector 12, Uttara, Dhaka 1230, Bangladesh

Copyright © 2026 ToguMogu All rights reserved.