বিশ্ব ব্যাপী মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হচ্ছে প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ বা সংক্ষেপে পি-পি-এইচ (PPH)। প্রায় ৪%-৬% ডেলিভারি এর সাথে পিপিএইচ জড়িত। প্রসবের পরবর্তী সময় থেকে ৪২ দিন পর্যন্ত স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রক্তপাত হলে(নরমাল ডেলিভারির পর ৫০০ মি.লি এর বেশি বা সিজার ডেলিভারির পর ১০০০ মি.লি এর বেশি রক্তক্ষরণ) তাকে পি পি এইচ বলে। তবে পরিমাণের চেয়ে রুগীর অবস্থা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রুগীর রক্তচাপ এবং পালস এই ক্ষেত্রে বেশি বিবেচ্য।
Articles
শিশুর ডায়াপার থেকে র্যাশ হলে কি করবেন?
কাপড় নাকি ডিসপোজেবল কিছু? কোনটি বেছে নেবেন- এই ভাবনায় পড়েন অনেক বাবা-মা। বিশেষ করে নবজাতক শিশুকে নিয়ে এ ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে যে ধরনের ডায়াপার বা পোশাকই পড়ানো হোক না কেন, সমস্যা যা হওয়ার তার ঝুঁকি একই। কারণ, শিশুজীবনের প্রথম কয়েক বছর শিশুর নিচের পোশাকটির প্রধান কাজ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন প্রকৃতির ডাকপ্রসূত ফলকে ধারণ করা। সোজা কথায় শিশুর নিচের পোশাক অন্তত প্রথম এক-দুই বছর প্রস্রাব ও পায়খানার সংস্পর্শে বেশি আসে। আর এ কারণে শিশুর নিতম্বে লালাভ চাকার মতো বা ফুসকুড়ি হয়ে ভেসে উঠতে পারে। যাকে বলা হয় ডায়াপার র্যাশ বা নিচের পোশাকজনিত ত্বকের ফুসকুড়ি।
শিশুদের ত্বকে পাউডার ব্যবহার করা কি নিরাপদ?
শিশুদের ত্বকে Powder ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ? আমরা পরামর্শ দিবো পাউডার ব্যবহার না করার, কারণ এটি শিশুর শ্বাসযন্ত্রে ব্যাঘাত ঘটাতে…
মা হওয়ার প্রথম ৯০ দিন
মা’ , পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর মমতাময়ী ডাক । আর এই ছোট্ট কিন্তু অপূর্ব ডাকটি শোনার জন্য কত কষ্টই না করতে হয় প্রতিটি মা কে। আজ আমি মা হওয়ার প্রথম তিন মাস এর করণীয় কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি কিছুটা হলেও উপকার হবে নতুন মায়েদের ।
শিশুদের Heat rash হওয়ার কারণ এবং এ প্রতিকারের উপায়
Heat rash কি?
heat rash কে অন্য ভাষায় বলা হয় ঘামাচি। বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্ম প্রধান দেশ। সুতরাং ঘামাচি হওয়ার ঝুঁকি ছোট, বড় সবারই থাকে। তবে বাচ্চাদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বড়দের থেকে বেশি পরিমাণ থাকে। ঘামাচি হল শরীরে লাল রঙের গুটির আবির্ভাব, যা শিশুদের পিঠে, বুকে, পেটে এবং যেসব জায়গার চামড়ায় ভাঁজ থাকে সেসকল স্থানে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গরমকালেও অনেকেই নবজাতক শিশুদের অতিরিক্ত কাপড়ে জড়িয়ে রাখে ঠাণ্ডা লাগবার ভয়ে। ফলে দেখা যায় ওদের শরীর ঘামাচিতে ভরে যায়।
Internet ব্যবহারকারী শিশুদের যেসব প্রশ্ন করা উচিৎ
Internet Safety এখনকার Internet ব্যবহারকারী শিশুদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। Internet এ যেকোনো তথ্য, সেবা খুব সহজেই যেমন পাওয়া যায়, তেমনি এর নিরাপত্তা ঝুঁকিটাও সামান্য নয়। আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য খুব সহজেই অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে, ঠিক তেমনি আমাদের নিরাপত্তাও অন্যের হাতে। শিশুরা নিজেরা Internet ব্যবহার করলেও, এই নিরাপত্তার ঝুঁকিটা অনুধাবন করা ওদের পক্ষে সম্ভব নয়।শিশুরা যেহেতু ছোট, তাই ওরা না বুঝে অনেক ধরণের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। ভালো-খারাপের পার্থক্য করা ওদের পক্ষে সম্ভব নয়। অভিভাবক হিসেবে এই ভূমিকায় নামতে হবে আপনাকেই !!!
গর্ভধারণের প্রস্তুতিসমূহ
“বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা তো হবেই! এর আবার প্রস্তুতি কী?” Pregnancy সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষের ধারণা এমনটাই। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমাদের বাসায় সম্মানিত বা আকাঙ্ক্ষিত কোনো অতিথি আসার আগে আমরা যেমন ঘরবাড়ি পরিষ্কার, রান্নাকরা ইত্যাদি প্রস্তুতি নিয়ে থাকি, ঠিক তেমনি আমাদের শিশুও আমাদের জীবনের এক বহুমূল্য, বহু প্রত্যাশিত অতিথি। সবচেয়ে বড় কথা, সে গড়ে উঠবে – বেড়ে উঠবে একদম শূন্য থেকে শুরু করে, তিলে তিলে অন্য একটি শরীর থেকে তার প্রাণ সঞ্চারী উপাদান সংগ্রহ করে। পরিবেশের যে কোনো বিরূপ বা ক্ষতিকর উপাদান তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
ব্রেস্ট ফিডিং এর ৬ টি কমন সমস্যা এবং তার সমাধান
শিশু জন্মের পর প্রথম ৬ মাস তাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো খুব দরকারি কারন প্রথম ৬ মাস মায়ের বুকের দুধ থেকেই শিশু যাবতীয় পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে। অভিজ্ঞ ডক্টর রাও তাই সদ্য মায়েদের কে প্রথম ৬ মাস বাচ্চা কে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে বলেন। কিন্তু অনেক মায়েরা কিছু সমস্যার জন্য সন্তান কে ব্রেস্টফিডিং বা বুকের দুধ পান করাতে চান না অথবা কিছু দিন বুকের দুধ পান করিয়ে তা বন্ধ করে দেন।
গর্ভবতী নারীর সুস্থতায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারি পরামর্শ
গর্ভধারণ যে কোন নারীর জীবনে পরম আকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। এই সময়ে গর্ভবতী নারীর সুস্থতায় তার গুরুজন নানা উপদেশ দেয় যা মানতে গিয়ে অনেক সময় তা ভুল উপদেশ হওয়াতে ক্ষতির কারণ হয়। অনেক উপদেশ ক্ষেত্র বিশেষে মা ও বাচ্চার জীবনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই জন্য কনসিভের পর পর-ই একজন গাইনী বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধায়নে থেকে প্রেগনেন্সি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোন রিস্ক ফ্যাক্টর (যা মা অথবা বাচ্চার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ) আছে কিনা দেখে নিতে হবে। আসুন তবে জেনে নিই গর্ভবতী নারীর কী করা উচিৎ আর কী না করা উচিৎ…
গর্ভধারণে ব্যর্থতা, কারণ ও প্রতিকার জানা আছে কি?
মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে আকাঙ্খিত অনুভূতি। প্রত্যেকটি মেয়েই চায় মা হতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে সব মেয়েই মা হতে পারে না। গর্ভধারণে ব্যর্থতা বা ইনফার্টিলিটি (infertility) আজকের দিনে খুব সাধারণ একটি ঘটনা।যদিও আমাদের সমাজে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের দায়ী করা হলেও এর জন্য নারী বা পুরুষ উভয়েরই ব্যর্থতা থাকতে পারে। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ইনফার্টিলিটি বা গর্ভধারণে ব্যর্থতার কারণ। চলুন এ বিষয়ে কিছু জেনে নেই!