নতুন মায়েদের Breast Pad এর ৫টি প্রয়োজনীয়তা

কজন নারীকে প্রসব পরবর্তী নানা রকম নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। নতুন মা যারা কিনা ব্রেস্টফিড করে থাকেন, তারা সাধারণত একটি বিশেষ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। ব্রেস্টফিডিং এর প্রথম দিকে লিকেজ হওয়া। অতিরিক্ত দুধ বের হয়ে কাপড় ভিজে যায়, অনেক সময় কাপড়ে দাগও পড়ে যায়। এই জন্য ব্যবহার করা উচিৎ Breast Pad।

শ্বাসকষ্ট বা এজমা সম্পর্কিত ৯টি সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যার মূল লক্ষণ হল শ্বাস কষ্ট ও সাঁসাঁ শব্দে নিঃশ্বাস ফেলা।হাঁপানি আক্রমণের সময় শ্বাসনালীর আস্তরণ ফুলে যায়, যার ফলে শ্বাসনালী এতটাই সংকীর্ণ হয়ে যায় যে প্রশ্বাস ও নি:শ্বাসে শ্বাসবায়ুর গতি অনেকটাই কমে যায়। হাঁপানির কারণ এখনো পুরোটা বোঝা যায়নি। তবুও, অ্যালার্জি, তামাকের ধোঁয়া ও রাসায়নিক উত্তেজক পদার্থে হাঁপানি ক্রমশ: বৃদ্ধি পায় ও এগুলোকে হাঁপানি রোগের মূল কারণ হিসেবে ধারা হয়। হাঁপানির পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়, কিন্তু যথাযথ পরিচালনায় এই রোগটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। উন্নত মানের সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সঠিক পরিচালনার প্রয়োজন।

শিশুদের কৌতুহল বাড়ানোর ১০ টি সহজ উপায়

একটি শিশু যত বেশি কৌতুহলী হবে, সে ততটাই বেশি শিখতে পারবে। আপনার শিশুকে শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করতে হলে তার কৌতুহলের ব্যাপারগুলোকে খুব ভালোভাবে প্রতিপালন করতে হবে। ‘কৌতুহল’ বা Curiosity এর শক্তি হচ্ছে যে এটি আপনার শিশুকে অসংখ্য সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে, চিন্তা এবং মতপ্রকাশের শক্তিকে উন্নত করে। আপনার শিশু যখন সচেতন হয়ে তার আশেপাশে পরিবেশ উপলব্ধি করে , তখন সে পৃথিবীর সবচেয়ে সৃজনশীল মানুষদের একজনে পরিণত হয়ে উঠতে পারে। অনুসন্ধানী প্রশ্ন করা, সকল সম্ভাবনাকে তদন্ত করা, মনের মধ্যে সবসময় একধরনের রোমাঞ্চ ধরে রাখা আপনার শিশুকে ভবিষ্যতে একজন চমৎকার উদ্ভাবকে পরিনত করবে।

আপনার শিশুর জন্য বই বাছাইঃ বয়স যখন ৬ – ২৩ মাস

শিশুর ৬ মাস বয়সেই কি বই দেয়া যায়? এতো দাম দিয়ে বই নিবো, বাচ্চা তো খালি ছিঁড়ে ফেলে। বইয়ের পাতা এতো কম, সাইজ এতো ছোট? শিশুর বয়স যখন ৬-২৩ মাস, তখন তার জন্য বই বাছাই কীভাবে করবেন সেটার একটা গাইডলাইন।

মুখচোরা, ইন্ট্রোভার্ট বাচ্চাকে বড় করবেন কীভাবে? জেনে নিন টিপস!

মুখচোরা বলে আপনার বাচ্চা কি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সহজ ভাবে মিশতে পারে না? এতে বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। মুখচোরা বাচ্চাদের বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে কী কী

মসজিদে বাচ্চাদের সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিত?

আমাদের দেশে কম বেশী অনেক বাচ্চাই মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন কোথাও তারা বড়দের আদর সোহাগ পায়।কোথাও বা মসজিদে আসার বিনিময়ে কপালে জোটে ধমকের পর ধমক।চারদিক থেকে যে যা পারে ধমক দিয়ে নিজের বীরত্মকে (?) প্রকাশ করে থাকে।সামান্য কথা বললেই বলে-“খবরদার!কাল থেকে তোরা মসজিদে আসবি না”।”তোদের বাপরা মসজিদে আসতে পারেনা?”,”দাড়া পিটিয়ে মসজিদের আসার স্বাদ মিটিয়ে দেব””পিঠের ছাল চামড়া একটাও রাখবনা” ইত্যাদি হাজারো ধমক জোটে তাদের কপালে।বাচ্চারা মসজিদে গেলে বড়দের ব্যবহার দেখে মনে হয় যেন কোন নিকৃষ্ট জীব মসজিদে ঢুকে পড়েছে যে কোন মুল্যেই তাকে বের করে দিতে হবে।

প্যারেন্টিং এবং অপরাধবোধ

বাচ্চা মানুষ করার ক্ষেত্রে বাবা মায়েরা জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে নানা রকম অপরাধবোধের মধ্যে দিয়ে পার করেন। সবকিছু সামলে সন্তানকে প্রপারলি গোড়ে তোলা মোটেও সহজ কথা নয়। এই জার্নিতে তাই মাঝে মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করা খুব এ স্বাভাবিক। এই বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন আরিফুজ্জামান সুমন।

শিশুর মানসিক বিকাশে সৃজনশীল কাজগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

শিশুরা মুক্ত মনের অধিকারী। তাদের কল্পনা শক্তিও প্রখর। তাই সৃজনশীল কাজে তাদের আগ্রহও থাকে অনেক বেশি। সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই যদি সৃজনশীল কাজে সংযুক্ত করা যায় তাহলে সে একজন মুক্তমনা মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

শিশুকে ২৪ ঘণ্টা ডায়পার পরানো ভাল নাকি খারাপ !!

এখনকার দিনে ডায়পার শিশুদের জন্য একটি অপরিহার্য পণ্য। বাবা মায়েরা তাদের সন্তান এবং নিজেদের সুবিধার জন্য দিনের অধিকাংশ সময় শিশুদের ডায়পার পরিয়ে রাখতে চান। কিন্তু এভাবে অনেকটা সময় ডায়পার পরিয়ে রাখা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা ভেবে দেখেছেন কি?

সন্তানের সকালের নাস্তা এবং মায়েদের দুশ্চিন্তা

প্রতিদিন সকালে উঠেই মায়েরা যেন এক আতঙ্কে পড়ে যান সন্তানের নাস্তা বা খাবার নিয়ে। আর সন্তানের বয়স যদি হয় এক থেকে পাঁচ এর মধ্যে তাহলে তো কথায় নেই। কারণ এই বয়সেই শিশুর খাবার নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় মায়েদের। এই চিন্তা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব না হলেও কিছু উপায় অবলম্বন করে হয়ত কিছুটা কমিয়ে আনা যায়।

বাচ্চাকে কেন খিচুড়ি খাওয়াবেন?

বাচ্চাদের খিচুড়ি খাওয়ানো নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটি লিখেছেন চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল এর সিনিয়র পুষ্টি কর্মকর্তা পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন। সরাসরি তার লেখনীতে জেনে নিন আপনার সন্তানকে খিচুড়ি খাওয়ানোর উপকারিতা।

পুষ্টিকর খাবার কিভাবে আপনার সন্তানের ব্রেইন ডেভেলাপমেন্টে সাহায্য করে?

অভিভাবক হিসাবে আমরা সন্তানের সঠিক বেড়ে উঠা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন
একটা শিশু কি খাচ্ছে তার সাথে তার ব্রেইন ডেভেলাপমেন্ট সরাসরি যুক্ত। কিন্তু আসলে কতটা গুরুত্বপুর্ণ?
আজকে আমরা এই লেখায় এটাই জানবো পুষ্টিকর খাবারের সাথে আপনার সন্তানের মস্তিস্ক বিকাশের সংযোগ
কতটা।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় রোগ থেকে সুস্থ থাকার উপায়

সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে সুস্থ থাকুন প্রতিদিন। সুস্থতা সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত। যে নিয়ামতের গুরুত্ব আমরা তখনই উপলব্ধি করতে পারি যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি। শরীর ও মন ভালো তো সব ভালো, এমন একটা কথাও প্রচলিত আছে। আদতে সুস্থ থাকলে যেকোন সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় সহজেই। এজন্যই স্বাস্থ্যকে সকল সুখের মূল বলা হয়েছে।

ওমেগা -৩ ডিমের গুনাগুণ

ডিম আগে না মুরগি আগে, এই একটি প্রশ্নের উত্তর যেনো সবাই কখনো না কখনো খুঁজতে গিয়েছি। তবে উত্তর না পেলেও ডিম নিয়ে এমন অনেক ব্যাপারই সামনে এসেছে যে অবাক না হয়ে পারা যায় না। আচ্ছা, আপনি কি কখনো ভেবেছেন যে ডিমকে সুপারফুড বা পুষ্টির আধার হিসেবে গণ্য করা হয় কেনো? যে ডিম যথাযত পরিবেশ পেলে একটি নতুন প্রাণের জন্ম দিতে পারে তাতে তো মানবজীবনের জন্য আবশ্যক উপাদানের উপস্থিতি দেখা যাবেই, তাই নয় কি?

সিজনাল ফ্লু থেকে নিরাপদ থাকুন

ষড়ঋতুর দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। কিন্তু বর্তমানে প্রায় সারা বছরেই ঠান্ডা-গরমের দোলাচলে থাকে আমাদের প্রকৃতি। ঋতুর এই পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলাবালি আর বৃষ্টিপাতের তারতম্যে আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন রকম রোগ হয়ে থাকে।
এছাড়া বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলিকনা, গাড়ির ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমাদের শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে শ্বাসতন্ত্রে সমস্যার সৃষ্টি করে। এতে যাদের নাকে সমস্যাসহ অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তারা শ্বাসতন্ত্রে নানা অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।

মাথাব্যথা ও ঘুম না হওয়ার সমস্যা দূর করতে দুধ ও মধুর মিশ্রণ

দুইটা সমস্যায় আমজাদ ভাই অনেক দিন যাবত ভুগছেন। একঃ মাথাব্যথা । দুইঃ রাতে ঘুম কম হওয়া। আমজাদ ভাই সেলস এর চাকরি করেন, সারাদিন ঢাকার অনেক দৌড়-ঝাঁপ করতে হয়। রাতের বেলা বাসায় ফিরতেই খুব মাথাব্যাথা করতে থাকে। তাছাড়া ঘুমও আসতে চায় না! অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকার পর সামান্য ঘুম হয়, আর সকালে উঠেই বেড়িয়ে পড়েন জীবিকার সংগ্রামে। এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য অনেক ঔষধ খেয়েছেন তিনি। খুব একটা ফল হয়নি। বরং ঔষধের সাইড ইফেক্টে আরও নানান জটিলতায় ভুগছেন এখন।

সর্বরোগের মহৌষধ কালোজিরা তেল!

কালো জিরা আমাদের সবারই পরিচিত। খাবারে একটু ভিন্ন স্বাদ আনতে কালো জিরার তুলনা নেই। কিন্তু কালো জিরার ব্যবহার শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির জন্যই সীমাবদ্ধ নয়, এর রয়েছে আরোও অনেক ব্যবহার । অতি প্রাচীনকাল থেকেই প্রায় সব ধরণের সভ্যতায় এর ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কালো জিরার বীজ থেকে তৈরি হয় কালোজিরা তেল । এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।