শিশুরা সবসময়ই নানারকম অসতর্ক মুহূর্তে নিপীড়নের শিকার হয়ে থাকে। এটা শুধু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল বিশ্বের সমস্যা না। সারা বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও শিশুরা নানারকম যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। শিশুরা বয়সে ছোট এবং বাস্তব জীবনের বেশিরভাগ ব্যাপারেই তাদের ধারণা এখনো পরিপক্ব হয়নি। এই কারণে তারা নিপীড়িত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। নিপীড়ক এটা মনে করতে পারে যে, “যেহেতু শিশুরা কম বোঝে, তাদের বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা কম, তাই তাদের নিপীড়িত করা সহজ হবে।” WHO (World Health Organization) এর মতে, শিশুর প্রতি যৌন নিপীড়ন হচ্ছে শিশুকে যৌন কাজে নিয়োজিত করা। কোন কোন ক্ষেত্রে শিশু যৌনকাজ এবং এর মাত্রা, প্রভাব সম্পর্কে অবগত না থেকে সম্মতিও প্রদান করতে পারে। একে তখন বলা হয় Uninformed Consent. আবার অনেক সময় প্রলোভন দেখিয়েও শিশুকে যৌনকাজে নিয়োজিত করা হতে পারে।
Articles
আপনার কন্যা সন্তানকে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতে ১০ টি টিপস
ছোটবেলায় মেয়ে শিশুরা ছেলেদের তুলনায় সব কিছুতে এগিয়ে থাকে। হোক তা কথা বলা কিংবা হাঁটতে শিখা বা পড়াশুনা সবকিছুতেই তারা টপার থাকে। কিন্তু প্রাইমারী স্কুলের ধাপ পেরোনোর পর তাদের মধ্যে কিছু পরিবর্তন আসা শুরু করে যা তাদেরকে অনেকটায় পিছিয়ে ফেলে। এর কারণ যেকোনো কিছুই হতে পারে। সমাজ ও পরিবার উভয়ই আমাদের কন্যা সন্তানের বিপরীতে থাকে। সামাজিকভাবে এখনও মনে করা হয় মেয়েরা ছেলেদের সমান নয়, মেয়েদের ছেলেদের সমান স্বাধীনতা প্রাপ্য নয়। যদিও মেয়েরা সব ক্ষেত্রেই নিজেদের প্রমাণ করে চলেছে তবে তাদের এই যাত্রাটা সহজ নয়। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তাদের অনেক রকম বাঁধা পেরোতে হবে।
শিশুকে গণিতে আগ্রহী করতে ৫টি টেকনিক
সন্তানকে অল্প বয়স থেকেই গনিতে আগ্রহী করে তোলার ৫টি টিপস।
শিশুর ADHD আছে কিনা তা যেভাবে পরীক্ষা করা হয়
শিশুর ADHD আছে কিনা তা কত বছর বয়সে পরীক্ষা করা সম্ভব বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুদের মধ্যে ADHD এর লক্ষন ৪ থেকে ৬ বছরের আগে ধরা পরে না। কারণ শিশুরা স্বভাবতই চঞ্চল, কম মনযোগী এবং একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়। তাই আপনার শিশুর এটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার বা ADHD আছে কিনা তা বাবা মা হিসেবে আপনার মুল্যায়ন করতে পারাটা একটু কঠিন। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করতে দোষ কোথায়। আপনার যদি মনে হয় আপনার সন্তানের মধ্যে ADHD এর লক্ষনগুলি রয়েছে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডায়াপার উপাখ্যান
নিউজফিড এ প্রায়ই দেখি মায়েরা উদ্বিগ্নতার সাথে জানতে চায়ঃ
*বাচ্চাকে সবসময় Diaper পড়ালে সমস্যা হবে কিনা?
*কে কোন ডায়াপার পড়াচ্ছ?
*ডায়াপার এরিয়াতে লাল লাল দানা উঠেছে, কি করবো?
শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বা Constipation দূর করার উপায়
বাচ্চাদের বুকের দুধ থেকে সাধারণ খাবার (সলিড এবং সেমি-সলিড) খাওয়ানো শুরু করান হলে, তারা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যে অর্থাৎ Constipation এ ভোগে। সে সাধারণত পেট ব্যথা, অস্থিরতা, তলপেটে ব্যথা অনুভব করতে পারে এবং অনেক কান্নাকাটি করতে পারে। এগুলোও সাধারণ উপসর্গ।বড়দের থেকে ছোটদের ব্যাপারটা আলাদা। শিশুদের পেট নতুন নতুন খাবার গুলো হজম করতে শিখছে। হজমে সমস্যা হওয়া তাই বিচিত্র কিছু না। শিশুদের ক্ষেত্রে এর সমাধান তাই আলাদা। শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য কিভাবে দূর করবেন, আমরা আজ তা নিয়েই লিখতে যাচ্ছি।
একবার দুধ বানালে তা ফ্রিজের বাইরে কতক্ষণ সংরক্ষণ করা যায়
প্রায়ই বাচ্চারা ফিডারে দুধ খেতে শুরু করলে শেষ না করেই আর খেতে চায় না। এই Leftover milk বা পরিশিষ্ট যে দুধ ফিডারে রয়ে যায় তা ফেলে দিবে না রেখে দিবে তা মা বাবারা বুঝে উঠতে পারেনা। দুধ একবার বানালে কতক্ষন পর্যন্ত রাখা যায় তা নিয়েই এই লেখা।
শিশুদের সাজগোজের জিনিসপত্রের দিকে আকর্ষণ কি স্বাভাবিক?
জ্বী হ্যাঁ, শিশুদের makeup করার অর্থাৎ লিপস্টিক কিংবা আই শ্যাডো লাগানোর যে প্রবণতা দেখা যায় তা খুবই স্বাভাবিক। শুধুমাত্র মেয়েশিশুরাই না ছেলে শিশুদের মধ্যেও এই প্রবনতা দেখা যায়। আমরা জানি, শিশুরা অনুকরণ করতে খুব ভালবাসে। এটি হল অনুকরণের ফল। অনেক শিশু আছে যারা বড়দের কাপড় পড়ে আয়নার সামনে দাড়িয়ে অনুকরণ করে। কখনো তাদের মা সাজে, কখনো বাবা আবার কখনো বড় ভাইবোন বা দাদা-দাদি,নানা-নানি। এভাবেই অনুকরণের মাধ্যমে তারা নিজেদের একটা অনন্য পরিচয় গড়ে তুলে। আপনার শিশু ছেলে হোক কিংবা মেয়ে তার সাজগোজের জিনিস নিয়ে খেলার অভ্যাসটিকে আপনি অন্য অভ্যাসগুলোর মতই দেখুন।
শিশুকে নিরাপদে গোসল করানোর টিপস
১২ মাস থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুদের সারাক্ষণই চোখে চোখে রাখতে হয়। এই বয়সটাতেই শিশুরা হাটতে শেখে, কথা বলতে শেখে, বাইরের জগত চিনতে শিখে এবং চঞ্চলতাও বৃদ্ধি পায়। গোসলের সময়টায় এই বয়সী সব শিশুই খুব মজা পায়। এ সময় তারা খুবই উত্তেজিত থাকে। তাই অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সামলানো কঠিন হয়ে দাড়ায়। এ সময় Safe bathing এর জন্যে কি কি নিরাপত্তা গ্রহন করা উচিৎ তা সম্পর্কে কিছু টিপস নিচে দেয়া হলঃ
৬ টি টিপস বাচ্চাকে সরাসরি “না” বলার পরিবর্তে অন্যভাবে নিষেধ করা শেখাবে
৫-৮ বছরের শিশুরা সাধারনত না শুনতে পছন্দ করেন না। প্রায় সময়ই দেখা যায় তাদেরকে যে কাজটি করতে বারণ করা হয় তারা সেই কাজটিই বেশি করে করতে চায়। এসব ক্ষেত্রে চেষ্টা করুন নেতিবাচক শব্দের পরিবর্তে ইতিবাচক শব্দ (Positive words) ব্যবহার করতে।