নিউজফিড এ প্রায়ই দেখি মায়েরা উদ্বিগ্নতার সাথে জানতে চায়ঃ
*বাচ্চাকে সবসময় Diaper পড়ালে সমস্যা হবে কিনা?
*কে কোন ডায়াপার পড়াচ্ছ?
*ডায়াপার এরিয়াতে লাল লাল দানা উঠেছে, কি করবো?
নিউজফিড এ প্রায়ই দেখি মায়েরা উদ্বিগ্নতার সাথে জানতে চায়ঃ
*বাচ্চাকে সবসময় Diaper পড়ালে সমস্যা হবে কিনা?
*কে কোন ডায়াপার পড়াচ্ছ?
*ডায়াপার এরিয়াতে লাল লাল দানা উঠেছে, কি করবো?
বিশেষজ্ঞের মতে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের কফি পান করা পুরোপুরি নিরাপদ। যদিও আপনার পান করা ক্যাফেইন আপনার বুকের দুধের সাথে মিশে যায় তবে সেটার পরিমান খুব কম। অধিকাংশ গবেষণায় দেখা যায় যে আপনি যে পরিমান ক্যাফেইন খাচ্ছেন তার এক শতাংশেরও কম বুকের দুধের সাথে মিশে।
যে শিশুরা ফর্মুলা খায় তাদের জন্যে তো অবশ্যই, এছাড়াও যারা বুকের দুধ খায় তাদের জন্যেও ফিডার প্রয়োজন হয়। অনেক মাই বুকের দুধ মাম্প করে শিশুকে খাওয়ায়।
প্রয়োজনের খাতিরে অনেক কাজেই প্লেনে যাতায়াত করতে হয়। বাসায় ছোট্ট শিশু থাকলে, বাবা-মা অনেক সময় তাকে নিয়েও প্লেনে ওঠেন। প্লেন বা বাসে শিশুরা মোশনের কারণে ভয় পেতে পারে বা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। জেনে নিন এক্ষেত্রে কি করা উচিৎ। ছোট শিশু নিয়ে প্লেনে যাতায়াত করা কিছুটা কষ্টকর কাজতো বটেই। তাই জার্নি শুরুর আগেই যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে রাখা ভাল।
কাপড় নাকি ডিসপোজেবল কিছু? কোনটি বেছে নেবেন- এই ভাবনায় পড়েন অনেক বাবা-মা। বিশেষ করে নবজাতক শিশুকে নিয়ে এ ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে যে ধরনের ডায়াপার বা পোশাকই পড়ানো হোক না কেন, সমস্যা যা হওয়ার তার ঝুঁকি একই। কারণ, শিশুজীবনের প্রথম কয়েক বছর শিশুর নিচের পোশাকটির প্রধান কাজ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন প্রকৃতির ডাকপ্রসূত ফলকে ধারণ করা। সোজা কথায় শিশুর নিচের পোশাক অন্তত প্রথম এক-দুই বছর প্রস্রাব ও পায়খানার সংস্পর্শে বেশি আসে। আর এ কারণে শিশুর নিতম্বে লালাভ চাকার মতো বা ফুসকুড়ি হয়ে ভেসে উঠতে পারে। যাকে বলা হয় ডায়াপার র্যাশ বা নিচের পোশাকজনিত ত্বকের ফুসকুড়ি।
শিশুদের ত্বকে Powder ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ? আমরা পরামর্শ দিবো পাউডার ব্যবহার না করার, কারণ এটি শিশুর শ্বাসযন্ত্রে ব্যাঘাত ঘটাতে…
মা’ , পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর মমতাময়ী ডাক । আর এই ছোট্ট কিন্তু অপূর্ব ডাকটি শোনার জন্য কত কষ্টই না করতে হয় প্রতিটি মা কে। আজ আমি মা হওয়ার প্রথম তিন মাস এর করণীয় কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি কিছুটা হলেও উপকার হবে নতুন মায়েদের ।
শিশু জন্মের পর প্রথম ৬ মাস তাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো খুব দরকারি কারন প্রথম ৬ মাস মায়ের বুকের দুধ থেকেই শিশু যাবতীয় পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে। অভিজ্ঞ ডক্টর রাও তাই সদ্য মায়েদের কে প্রথম ৬ মাস বাচ্চা কে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে বলেন। কিন্তু অনেক মায়েরা কিছু সমস্যার জন্য সন্তান কে ব্রেস্টফিডিং বা বুকের দুধ পান করাতে চান না অথবা কিছু দিন বুকের দুধ পান করিয়ে তা বন্ধ করে দেন।
আমাদের দেশে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে- শিশুর মতো ঘুমানো। মানে হচ্ছে গভীর ও শান্তির ঘুম দেওয়া। শিশুরা কিন্তু বাস্তবে এত শান্তভাবে ঘুমায় না, অনেক ক্ষেত্রে গভীর ঘুমেই তারা অনেক কাণ্ড-কারখানা করে। কখনো কাঁদে, কখনো গোঙায়, আবার নাক দিয়ে বাঁশির মতো শব্দ করে শ্বাসও নেয়। অনেক বাবা-মার কাছেই শিশুর ঘুমের এই অভ্যাসগুলো অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যাপার গুলো আসলেও সমস্যারই ইঙ্গিত দেয়। তবে সবসময় না।
বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন জন্মের পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে কেবল মায়ের দুধ খাওয়াতে হয়৷ তাই দেখে নিন শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিনগুলোতে মা’দের কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত নয়৷
ToguMogu is a parenting app offering essential support from family planning to raising children up to age 10.