আপনি মোবাইলে অতিরিক্ত সময় কাটালে আপনার শিশু যা অনুভব করে

মোবাইলে অতিরিক্ত সময় কাটাকে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বহীন মনে করে। আমরা অনেক বেশী মোবাইলে সময় কাটাই যেটা মোটেই ঠিক নই। মোবাইলে বেশী সময় না কাটিয়ে বাচ্চাদের বেশী গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।

শিশুর ত্বকের যত্ন

শিশুর ত্বকের যত্নের ব্যাপারে মায়ের ভূমিকাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। মায়েরা যদি কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হোন, তবে অনেক চর্মরোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর নিম্নলিখিত কয়েকটি বিষয় শিশুর বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধে নিঃসন্দেহে সহায়ক :

শিশুকে যেভাবে লিখতে উৎসাহী করে তুলবেন

লেখা-পড়া কথাটি শুরুই হয় লেখা দিয়ে। এবং মজার ব্যাপার হল শিশুরা পড়াশুনা শুরুর আগেই একদম ছোট থেকেই কলম, পেন্সিল বা রং-পেন্সিলসহ হাতের কাছে যা পায় তা দিয়েই আগে লেখা শুরু করে। লেখার শুরুটা হয় ২ বছর থেকেই আর লেখাপড়ার এক বড় ধাপই হল লেখা। অথচ টেকনোলোজির এই যুগে এসে আমরা শিশুদের লেখার অপশনটাও কম দিচ্ছি, আবার অন্য দিকে অনেক অভিভাবকই বলছেন -“আমার শিশু লিখতে চায়না।”

আপনার শিশুকে কি চুল কাটতে নিয়ে গেলে সে কান্নাকাটি করে?

১৪ মাস বয়সের পর থেকেই বাচ্চাদের haircut দিতে নিয়ে যাওয়া বাবা মার জন্যে এটি বিভীষিকার মত। অনেক সময় ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী বাচ্চারাও প্রচুর কান্নাকাটি করে। এর কারণ হতে পারে তারা বড় বড় কাঁচির এতো কাছ থেকে দেখে ভয় পায় বা অন্য কোন কিছু।

আপনার সন্তান কি মারমুখী? কেন মারমুখী এবং এক্ষেত্রে কি করণীয়?

কেন বাচ্চারা মারমুখী বা আক্রমনাত্মক হয়?

অবাক লাগলেও সত্যি যে,বাচ্চাদের Aggressive আচরণ একটি স্বাভাবিক বিষয়।
অনেক বাচ্চাই আছে সহপাঠীদের খেলনা কেড়ে নেয়, আঘাত করে, চিৎকার করে মুখ নীল বানিয়ে ফেলে। ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী বাচ্চারা নতুন নতুন দক্ষতা শিখছে প্রতিনিয়ত। সেটা হতে পারে কেঁচি ধরা, জটিল বাক্য বলা ইত্যাদি। এই বয়সের বাচ্চাদের মধ্যে একটুতেই বিরক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এই বয়সেই বাচ্চারা প্রি-স্কুল শুরু করে, অর্থাৎ বাসার বাইরে থাকার সাথে ওদের পরিচয় হয়। অনেক বাচ্চাই স্কুলে থাকাবস্থায় বিরক্তবোধ করে অথবা নিজেকে অবহেলিত অনুভব করতে থাকে।

আপনার শিশু কি অখাদ্য খায়?

খাবার নয় এমন যে কোনো কিছু খাওয়ার অভ্যাসকে ‘পিকা’ (Pica) বলা হয়। এক বছর থেকে ছয় বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। ছেলে-মেয়ে উভয় শিশুই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এক বছর থেকে দুই বছর বয়স থেকে সাধারণত এটি শুরু হয় এবং বয়স বাড়লে কমে যায়।

শিশুর স্কুলভীতি ও তার প্রতিকার

আপনার শিশু কি স্কুলে যেতে ভয় পায়? স্কুলে যেতে না চাওয়া, ব্যাখ্যাতীত ভয়, ঘর ছেড়ে যেতে অনর্থক উদ্বেগ, মাকে ছাড়তে না চাওয়া ইত্যাদিকে স্কুলভীতি বা ‍School Phobia হিসেবে সনাক্ত করা হয়ে থাকে। স্কুলভীতিতে আক্রান্ত শিশু বাসায় থাকতে চায়, স্কুলে যেতে চায় না। মাঝে মাঝে লম্বা ছুটির পর স্কুল শুরু হলে শিশুকে স্কুলে ফেরাতে গেলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পেটব্যথা বা মাথাব্যথার মিথ্যা অভিযোগ তুলে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়। আবার শিশুর ধারণক্ষমতার বাইরে অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দিয়ে সন্তানকে আতঙ্কিত করে তোলার মত মা বাবাও বিরল নয়।

সর্দি-কাশি-জ্বরে শিশুকে কেন ওষুধ দেয়া উচিৎ নয়

আমাদের শিশুর সর্দি, কাশি বা জ্বর আসার সাথে সাথে আমরা যে কাজটা করি তা হল ওষুধ খাওয়ানো এই তিনটি অসুখই অত্যন্ত কমন যাতে এক-দু মাস পরপরই শিশুরা আক্রান্ত হয়। আপনি যদি আপনার শিশুকে এই তিনটি অসুখে আক্রান্ত হবার সাথে সাথে সিরাপ বা ওষুধ দিয়ে থাকেন তাহলে তা সময় এসেছে তা থামাবার! জ্বর, সর্দি, কাশিতে শিশুকে আর ওষুধ নয়। কেন নয় তা আসুন জেনে নেই।

শিশুদের আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা

শরীরে যে যে কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে তার মাঝে আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবীজুড়ে ৩০ ভাগ শিশু এ রোগে ভুগে। বাল্যকালে শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার পেছনে এ রোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?

শিশুদের Heat rash হওয়ার কারণ এবং এ প্রতিকারের উপায়

Heat rash কি?

heat rash কে অন্য ভাষায় বলা হয় ঘামাচি। বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্ম প্রধান দেশ। সুতরাং ঘামাচি হওয়ার ঝুঁকি ছোট, বড় সবারই থাকে। তবে বাচ্চাদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বড়দের থেকে বেশি পরিমাণ থাকে। ঘামাচি হল শরীরে লাল রঙের গুটির আবির্ভাব, যা শিশুদের পিঠে, বুকে, পেটে এবং যেসব জায়গার চামড়ায় ভাঁজ থাকে সেসকল স্থানে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গরমকালেও অনেকেই নবজাতক শিশুদের অতিরিক্ত কাপড়ে জড়িয়ে রাখে ঠাণ্ডা লাগবার ভয়ে। ফলে দেখা যায় ওদের শরীর ঘামাচিতে ভরে যায়।

যেভাবে আপনার বাচ্চাকে ঘরের টুকিটাকি কাজ করায় অভ্যস্ত করবেন

সাধারণত ১ থেকে ৩ বছরের শিশুদের Toddler বলা হয়। Toddler থেকে ৬/৭ বছরের শিশুরা সাধারনত একটু বেশী চঞ্চল হয় আর তারা সবধরনের কাজ আগ বাড়িয়ে নিজে নিজে করতে চায়। তারা সবকিছুতে স্বাধীনতা চায়। বাবা-মা যেভাবে যা যা করে তারাও সেগুলো করতে চায়। এটা তার বয়সের জন্য খুবই স্বাভাবিক। বাবা-মা, শিক্ষকরা কিন্তু এইক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এই বয়সে যদি আপনি তাকে ঘরের কাজ বা Chores করায় অভ্যস্ত করতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে আপনি তার দায়িত্ববোধের ব্যাপারটাও হয়তো নিশ্চিত করতে পারবেন। এতে সে স্বাবলম্বী হয়ে বেড়ে উঠতে শিখবে।

ADHD এর লক্ষণ ও উপসর্গ

ADHD কি? Attention deficit hyperactivity disorder (ADHD) হল এমন একটি অবস্থা যা হলে শিশুরা তাদের কার্যকলাপ বা আবেগ ধরে রাখতে পারে না। এই ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশুদের পক্ষে কোন একটি জিনিসে মনোযোগ ধরে রাখাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। এর সুত্রপাত হতে পারে শৈশবকাল থেকেই, যা বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও মানুষের মধ্যে থেকে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুর বয়স ৪ বছর না হওয়া পর্যন্ত এই ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা করা সম্ভব না। কারণ একেক বাচ্চা একেক রকম হয়। শৈশবকালে বাচ্চাদের মধ্যে চঞ্চলতাভাবটি বেশি কাজ করে। তাই আপনার শিশুর অতিরিক্ত অস্থিরতা বা চঞ্চলতা কি বয়সের কারণে নাকি এটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডারের কারণে সেটা বুঝতে পারা আসলেই কঠিন কাজ। কিন্তু এটি অসম্ভব নয়। আপনার শিশু একটু বড় হলেই ব্যাপারটি আপনার কাছে পরিষ্কার হওয়া।

আপনার শিশুর জন্য ডে-কেয়ার কীভাবে বাছাই করবেন (How to choose daycare for your child)?

সঠিক ডে-কেয়ার বাছাই করা আপনার শিশুর ভবিষ্যতের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এরকম কিছু টেকনিক জেনে নিন এই লেখাটি থেকে।

৩ থেকে ৪ বছর বয়সী বাচ্চাদের মিথ্যে বলার প্রবণতার কারণ এবং এক্ষেত্রে করণীয়

কেন এ বয়সে বাচ্চারা মিথ্যে কথা বলে?

যখন আপনার ৩-৪ বছর বয়সী বাচ্চাকে আপনি জেরা করেন এবং সে নিজের মনমতো লম্বা কোন কাহিনী বানায় অথবা আপনার কাছে অস্বীকার করে তার মানে এই না যে সে মিথ্যে কথা বলছে। সাধারনত এই বয়সী বাচ্চাদের জন্যে বাস্তবতা এবং কল্পনার মধ্যেকার তফাৎ বুঝাটা খানিকটা কষ্টকর।

সন্তান পালনের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ৫ টি ভুল ধারণা

অভিভাবক হিসাবে আমরা সবসময় সন্তানদের ভালোটাই চাই। আমাদের সমস্ত চিন্তায়, সব কাজে চেষ্টা করি সন্তানদের জন্য ভালো কিছু করার। শিশুকে বড় করার ক্ষেত্রে আমরা বাবা-মা এবং অভিভাবকরা কিছু পুরনো ধারণাকে সত্যি বলে মনে করি যেগুলো আধুনিক গবেষণায় নানাভাবে ভুল প্রমানিত হয়েছে। এরকম ৫ টি ভুল ধারণাকে কেন্দ্র করে আজকের লিখাটি-

শুধু শেখানো নয়, শিশুর খাতিরে বদলাতে হবে আপনাদেরও। শৃঙ্খলা শিখতে হবে শিশুর সাথেই!

শান্ত হোক বা দুরন্ত, বাধ্য হোক বা জেদি, শিশুকে সঠিকভাবে মানুষ করতে শৃঙ্খলাবোধ ও সহবতের পাঠ দেওয়া শুরু করুন ছোট্ট বয়স থেকেই। ছোট্ট বাচ্চাকে শৃঙ্খলার পাঠ দেবেন।

উদ্ধত, বদরাগী, একগুঁয়ে সন্তান; বিষয়টা কিন্তু একেবারেই হেলাফেলার নয়

কিছু কিছু বাচ্চা হঠাৎ রেগে যায়। রেগে গেয়ে সবাইকে মারতে থাকে, কেউ কেউ আবার কামড়ও দেয়। বাচ্চার আক্রমণাত্মক এই আচরণ তার স্বাভাবিক বৃদ্ধির অংশ।