আপনার নবজাতক মেয়ের যৌনাঙ্গের যত্ন

নবজাতক মেয়ে শিশুর যৌনাঙ্গের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে অনেক মা-বাবা দ্বিধায় পড়েন। কীভাবে পরিষ্কার করবো? কী করা ঠিক নয়? এই আর্টিকেলে…

আপনি মোবাইলে অতিরিক্ত সময় কাটালে আপনার শিশু যা অনুভব করে

মোবাইলে অতিরিক্ত সময় কাটাকে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বহীন মনে করে। আমরা অনেক বেশী মোবাইলে সময় কাটাই যেটা মোটেই ঠিক নই। মোবাইলে বেশী সময় না কাটিয়ে বাচ্চাদের বেশী গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।

শিশুর ত্বকের যত্ন

শিশুর ত্বকের যত্নের ব্যাপারে মায়ের ভূমিকাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। মায়েরা যদি কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হোন, তবে অনেক চর্মরোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর নিম্নলিখিত কয়েকটি বিষয় শিশুর বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধে নিঃসন্দেহে সহায়ক :

১ বছরের বাচ্চার খাবার কেমন হবে

একটি শিশু যে পরিমাণ খায় তা নির্ভর করে সে কতটা ক্ষুধার্ত, তার উপর। যখন শিশুর দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি নেবেন, সবসময় তার রাতের খাবারের জন্য একটু খাবার সরিয়ে নেবেন। কারণ যদি আপনার রাতের খাবার তৈরি করতে দেরী হয় আর তারই মধ্যে আপনার সন্তানেরও ক্ষুধা পেয়ে যায়, তখন আপনি সরিয়ে রাখা খাবারটি তাকে দিতে পারবেন।

শিশুকে কম লবণ-যুক্ত কাটা অলিভ (জলপাই), আভাকাডো বা কচি মটরশুঁটি দিয়ে দেখতে পারেন। এসময় শিশুর জন্য ভালো খাবার হতে পারে কম চর্বিযুক্ত পনির, কুচিকুচি করা ওট্স(Oats), একটি অর্ধেক সিদ্ধ ডিম, ইত্যাদি।

জন্ম থেকে ২ বছর পর্যন্ত শিশুর সাথে যেভাবে কথা বলা উচিৎ

মা বাবার ফোকাস কখনই শিশু কয়টি শব্দ বলতে পারছে তা হওয়া উচিৎ না। বিশেষজ্ঞের মতে “শিশুর সাথে সারাদিন কথা বলে বাবা-মার ক্লান্ত হবার কোন প্রয়োজন নেই। টার্গেট সেট করে দিনে শিশুকে এতটা শব্দ শেখাবো ব্যাপারটা ঠিক এমনও নয়। বরং তাদের উচিৎ সময় দেয়া ছোটছোট কোয়ালিটিসম্পন্ন ভাব আদানপ্রদানে।” নবজাতক থেকে ২ বছর বয়সী শিশুর সাথে কোন পর্যায়ে কিভাবে কথা বলা উচিৎ সে বিষয়ে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে হার্ভাড গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং বসটন মেডিকেল সেন্টারের শিশু বিশেষজ্ঞ সম্মিলিতভাবে। আমরা টগুমগু থেকে তা তুলে ধরছি আপনাদের সাথে।

শিশুর না খাওয়ার ৪টি সম্ভাব্য কারণ

কিভাবে শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে তার একটি বড় প্রভার রয়েছে শিশুর ভবিষ্যৎ খাদ্যাভ্যাসের এবং পুষ্টির উপর। হয়তো অত্যন্ত মজাদার পুষ্টিকর খাবার তৈরী করা হচ্ছে শিশুর জন্যে কিন্তু তারপরও শিশু তা খেতে চাচ্ছে না। মা বাবার সবসময় দুশ্চিন্তা করাটা স্বাভাবিক যে বেড়ে উঠার জন্যে সন্তান কি আসলে পর্যাপ্ত খাবার খাচ্ছে কিনা। এ বিষয়ে গবেষণা বলে যে, একজন শিশু আসলে জানে যে কতটুকু খাবার ওর দরকার এবং ও অবগত আছে কখন ওকে খাওয়া থামাতে হবে।

শিশুকে যেভাবে লিখতে উৎসাহী করে তুলবেন

লেখা-পড়া কথাটি শুরুই হয় লেখা দিয়ে। এবং মজার ব্যাপার হল শিশুরা পড়াশুনা শুরুর আগেই একদম ছোট থেকেই কলম, পেন্সিল বা রং-পেন্সিলসহ হাতের কাছে যা পায় তা দিয়েই আগে লেখা শুরু করে। লেখার শুরুটা হয় ২ বছর থেকেই আর লেখাপড়ার এক বড় ধাপই হল লেখা। অথচ টেকনোলোজির এই যুগে এসে আমরা শিশুদের লেখার অপশনটাও কম দিচ্ছি, আবার অন্য দিকে অনেক অভিভাবকই বলছেন -“আমার শিশু লিখতে চায়না।”

আপনার শিশুকে কি চুল কাটতে নিয়ে গেলে সে কান্নাকাটি করে?

১৪ মাস বয়সের পর থেকেই বাচ্চাদের haircut দিতে নিয়ে যাওয়া বাবা মার জন্যে এটি বিভীষিকার মত। অনেক সময় ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী বাচ্চারাও প্রচুর কান্নাকাটি করে। এর কারণ হতে পারে তারা বড় বড় কাঁচির এতো কাছ থেকে দেখে ভয় পায় বা অন্য কোন কিছু।

ডায়াপার উপাখ্যান

নিউজফিড এ প্রায়ই দেখি মায়েরা উদ্বিগ্নতার সাথে জানতে চায়ঃ

*বাচ্চাকে সবসময় Diaper পড়ালে সমস্যা হবে কিনা?

*কে কোন ডায়াপার পড়াচ্ছ?

*ডায়াপার এরিয়াতে লাল লাল দানা উঠেছে, কি করবো?

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বা Constipation দূর করার উপায়

বাচ্চাদের বুকের দুধ থেকে সাধারণ খাবার (সলিড এবং সেমি-সলিড) খাওয়ানো শুরু করান হলে, তারা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যে অর্থাৎ Constipation এ ভোগে। সে সাধারণত পেট ব্যথা, অস্থিরতা, তলপেটে ব্যথা অনুভব করতে পারে এবং অনেক কান্নাকাটি করতে পারে। এগুলোও সাধারণ উপসর্গ।বড়দের থেকে ছোটদের ব্যাপারটা আলাদা। শিশুদের পেট নতুন নতুন খাবার গুলো হজম করতে শিখছে। হজমে সমস্যা হওয়া তাই বিচিত্র কিছু না। শিশুদের ক্ষেত্রে এর সমাধান তাই আলাদা। শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য কিভাবে দূর করবেন, আমরা আজ তা নিয়েই লিখতে যাচ্ছি।

শিশুদের সাজগোজের জিনিসপত্রের দিকে আকর্ষণ কি স্বাভাবিক?

জ্বী হ্যাঁ, শিশুদের makeup করার অর্থাৎ লিপস্টিক কিংবা আই শ্যাডো লাগানোর যে প্রবণতা দেখা যায় তা খুবই স্বাভাবিক। শুধুমাত্র মেয়েশিশুরাই না ছেলে শিশুদের মধ্যেও এই প্রবনতা দেখা যায়। আমরা জানি, শিশুরা অনুকরণ করতে খুব ভালবাসে। এটি হল অনুকরণের ফল। অনেক শিশু আছে যারা বড়দের কাপড় পড়ে আয়নার সামনে দাড়িয়ে অনুকরণ করে। কখনো তাদের মা সাজে, কখনো বাবা আবার কখনো বড় ভাইবোন বা দাদা-দাদি,নানা-নানি। এভাবেই অনুকরণের মাধ্যমে তারা নিজেদের একটা অনন্য পরিচয় গড়ে তুলে। আপনার শিশু ছেলে হোক কিংবা মেয়ে তার সাজগোজের জিনিস নিয়ে খেলার অভ্যাসটিকে আপনি অন্য অভ্যাসগুলোর মতই দেখুন।

শিশুকে নিরাপদে গোসল করানোর টিপস

১২ মাস থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুদের সারাক্ষণই চোখে চোখে রাখতে হয়। এই বয়সটাতেই শিশুরা হাটতে শেখে, কথা বলতে শেখে, বাইরের জগত চিনতে শিখে এবং চঞ্চলতাও বৃদ্ধি পায়। গোসলের সময়টায় এই বয়সী সব শিশুই খুব মজা পায়। এ সময় তারা খুবই উত্তেজিত থাকে। তাই অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সামলানো কঠিন হয়ে দাড়ায়। এ সময় Safe bathing এর জন্যে কি কি নিরাপত্তা গ্রহন করা উচিৎ তা সম্পর্কে কিছু টিপস নিচে দেয়া হলঃ

আপনার শিশু কি অখাদ্য খায়?

খাবার নয় এমন যে কোনো কিছু খাওয়ার অভ্যাসকে ‘পিকা’ (Pica) বলা হয়। এক বছর থেকে ছয় বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। ছেলে-মেয়ে উভয় শিশুই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এক বছর থেকে দুই বছর বয়স থেকে সাধারণত এটি শুরু হয় এবং বয়স বাড়লে কমে যায়।

সর্দি-কাশি-জ্বরে শিশুকে কেন ওষুধ দেয়া উচিৎ নয়

আমাদের শিশুর সর্দি, কাশি বা জ্বর আসার সাথে সাথে আমরা যে কাজটা করি তা হল ওষুধ খাওয়ানো এই তিনটি অসুখই অত্যন্ত কমন যাতে এক-দু মাস পরপরই শিশুরা আক্রান্ত হয়। আপনি যদি আপনার শিশুকে এই তিনটি অসুখে আক্রান্ত হবার সাথে সাথে সিরাপ বা ওষুধ দিয়ে থাকেন তাহলে তা সময় এসেছে তা থামাবার! জ্বর, সর্দি, কাশিতে শিশুকে আর ওষুধ নয়। কেন নয় তা আসুন জেনে নেই।

শিশুর জন্যে সঠিক নিপলটি কিনছেন তো?

যে শিশুরা ফর্মুলা খায় তাদের জন্যে তো অবশ্যই, এছাড়াও যারা বুকের দুধ খায় তাদের জন্যেও ফিডার প্রয়োজন হয়। অনেক মাই বুকের দুধ মাম্প করে শিশুকে খাওয়ায়।

প্লেন জার্নিতে শিশু কাঁদলে কি করবেন?

প্রয়োজনের খাতিরে অনেক কাজেই প্লেনে যাতায়াত করতে হয়। বাসায় ছোট্ট শিশু থাকলে, বাবা-মা অনেক সময় তাকে নিয়েও প্লেনে ওঠেন। প্লেন বা বাসে শিশুরা মোশনের কারণে ভয় পেতে পারে বা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। জেনে নিন এক্ষেত্রে কি করা উচিৎ। ছোট শিশু নিয়ে প্লেনে যাতায়াত করা কিছুটা কষ্টকর কাজতো বটেই। তাই জার্নি শুরুর আগেই যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে রাখা ভাল।

শিশুদের আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা

শরীরে যে যে কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে তার মাঝে আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবীজুড়ে ৩০ ভাগ শিশু এ রোগে ভুগে। বাল্যকালে শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত করার পেছনে এ রোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?